বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ-এ সান্ধ্যভাষার (বা সন্ধ্যাভাষা) প্রয়োগ আছে ।
- বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাচার্যরা অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে এই সাধনসংগীতগুলো রচনা করেন
- চর্যাপদের ভাষা ছিল প্রহেলিকাবৎ, অর্থাৎ দ্ব্যর্থক, যেখানে বাহ্যিক অর্থের আড়ালে গভীর যোগতত্ত্ব বা আধ্যাত্মিক রহস্য লুকিয়ে থাকতো
মূল তথ্য:
- সাহিত্যের নাম: চর্যাপদ (বা চর্যাচর্যবিনিশ্চয়)
- আবিষ্কারক: মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী (১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে)
- কেন বলা হয়: এর ভাষা স্পষ্ট নয়, আলো-আঁধারের মতো (সন্ধ্যা বা গোধূলির মতো) কিছুটা স্পষ্ট, কিছুটা অস্পষ্ট
- বৈশিষ্ট্য: এটি সাংকেতিক ভাষা, যা যোগ সাধনার নিগূঢ় তত্ত্ব প্রকাশের জন্য ব্যবহার করা হতো
উদাহরণ: "কাঅ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল" (কায়া বা দেহ হলো একটি শ্রেষ্ঠ বৃক্ষ, যার পাঁচটি ডাল—পাঁচ ইন্দ্রিয়)