চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, যা মূলত ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে রচিত বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাচার্যদের সাধন পদ্ধতিমূলক গানের সংকলন।
- ১৯০৭ সালে Haraprasad Shastri নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন।
- এটি "সান্ধ্য ভাষা" বা আলো-আঁধারি (রহস্যময়) ভাষায় রচিত এবং এতে চব্বিশজন পদকর্তার সাড়ে ৪৬টি পদ পাওয়া গেছে।
চর্যাপদ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- আবিষ্কারক ও প্রকাশকাল: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে Bangiya Sahitya Parishad থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- আদি কবি: লুই পা-কে চর্যাপদের আদি কবি মনে করা হয়।
- বিষয়বস্তু: এটি মূলত তান্ত্রিক বৌদ্ধ ধর্মের সাধন তত্ত্ব, যোগসাধনা এবং সেসময়ের বাংলার সমাজচিত্রের প্রতীকী রূপায়ণ।
- ভাষা: এর ভাষা প্রাচীন বাংলা ও অপভ্রংশের মিশ্রণ, যাকে 'সন্ধ্যা ভাষা' বলা হয়।
- নামকরণ: পূর্ণাঙ্গ নাম 'চর্য্যাচর্য্যবিনিশ্চয়' (আশ্চর্য চর্যাচয়), যা সহজিয়া বৌদ্ধদের সাধনসংগীত হিসেবে পরিচিত