সাধু ভাষায় মূলত তৎসম (সংস্কৃত) শব্দের প্রাধান্য সবচেয়ে বেশি।
- এই রীতিতে ব্যাকরণের সুনির্ধারিত নিয়ম মেনে চলে, যেখানে ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয় এবং ভাষাটি কিছুটা গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল হয়ে থাকে।
- বঙ্কিমচন্দ্র বা রবীন্দ্রনাথের প্রাথমিক রচনার মতো সাহিত্য সাধু ভাষার উদাহরণ
সাধু ভাষার প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- তৎসম শব্দের আধিক্য: সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসা শব্দ (যেমন: অন্ন, পর্বত, চক্ষু) বেশি ব্যবহৃত হয়
- ক্রিয়া ও সর্বনামের পূর্ণরূপ: যেমন- 'করিয়া' (চলিত: করে), 'তাহারা' (চলিত: তারা)
- গুরুগম্ভীর শৈলী: ভাষাটি চটুল না হয়ে গাম্ভীর্যপূর্ণ হয়
- অপরিবর্তনশীল: এই রীতির শব্দরূপ ও ক্রিয়ারূপ সহজে পরিবর্তিত হয় না