সাধারণ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত এবং বংশপরম্পরায় বাহিত অলিখিত সাহিত্যই হলো লোকসাহিত্য
- এটি গ্রামীণ বা জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি, বিশ্বাস ও অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে
- ছড়া, লোকগীতি, প্রবাদ-প্রবচন, ধাঁধা, লোককথা বা উপকথা (fairy tale) এর প্রধান উপজীব্য, যা ব্যক্তিগত রচনার চেয়ে সমষ্টিগত সৃষ্টি হিসেবেই বেশি পরিচিত
লোকসাহিত্যের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- মৌখিক ধারা: লোকসাহিত্য লিখিত হয় না, মুখে মুখে এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে বাহিত হয়
- সমষ্টিগত সৃষ্টি: সাধারণত এর কোনো একক রচয়িতা থাকে না, এটি সমাজের যৌথ সৃজনশীলতার ফসল
- অঞ্চলভিত্তিক:একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক পরিবেশ ও জনগোষ্ঠীর জীবনধারা এতে ফুটে ওঠে
- সহজ-সরল ভাষা: গ্রামীণ ও সাধারণ মানুষের ভাষায় এটি রচিত হয়
- পরিবর্তনশীল: মৌখিক হওয়ার কারণে সময়ের সাথে সাথে এর রূপ বা শব্দ পরিবর্তিত হতে পারে।
লোকসাহিত্যের প্রধান শাখা (উদাহরণ):
১. ছড়া: যেমন— ঘুমপাড়ানি ছড়া, খেলার ছড়া।
২. লোকসঙ্গীত: বাউল, ভাটিয়ালী, ভাওয়াইয়া, সারি গান, মুর্শিদি
৩. লোককথা/রূপকথা: যেমন— ঠাকুরমার ঝুলি, রূপবান, ময়নামতীর কাহিনী
৪. প্রবাদ-প্রবচন: যেমন— "যত গর্জে তত বর্ষে না"
৫. ধাঁধা: যেমন— "ডিম পাড়ে ডাল কাইটা, ঘরের মানুষ বাইরে থাইকা" (উত্তর: নারকেল)
১. ছড়া: যেমন— ঘুমপাড়ানি ছড়া, খেলার ছড়া।
২. লোকসঙ্গীত: বাউল, ভাটিয়ালী, ভাওয়াইয়া, সারি গান, মুর্শিদি
৩. লোককথা/রূপকথা: যেমন— ঠাকুরমার ঝুলি, রূপবান, ময়নামতীর কাহিনী
৪. প্রবাদ-প্রবচন: যেমন— "যত গর্জে তত বর্ষে না"
৫. ধাঁধা: যেমন— "ডিম পাড়ে ডাল কাইটা, ঘরের মানুষ বাইরে থাইকা" (উত্তর: নারকেল)
সংক্ষেপে, লোকসাহিত্য হলো একটি জাতির শেকড় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মৌখিক দলিল