মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’ (১৮৬১) বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য (Epistolary Poetry)
- এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত এবং পাশ্চাত্য কবি ওভিডের Heroides কাব্য অনুসরণে তৈরি
- ভারতীয় পুরাণ ও মহাকাব্যের ১১ জন নারী চরিত্রের স্বামী বা প্রেমিককে লেখা পত্রের মাধ্যমে তাদের মনের কথা ও সাহস এখানে প্রকাশ করা হয়েছে
বীরাঙ্গনা কাব্যের বৈশিষ্ট্য:
- পত্রকাব্য: এটি চিঠির আকারে রচিত, যেখানে কোনো নারী চরিত্র তার প্রেমাস্পদকে পত্র লিখছে
- চরিত্র: পুরাণের ১১টি কাহিনী (যেমন- শকুন্তলা, তারা, রুক্মিণী, কৈকেয়ী, জনা) অবলম্বনে রচিত
- আধুনিকতা: প্রাচীন চরিত্রগুলোকে আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি ও নারীর আত্মসচেতনতার আলোকে তুলে ধরা হয়েছে
- ** আঙ্গিক:** এটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করে, যেখানে নারীর কণ্ঠস্বর স্পষ্ট
বীরাঙ্গনা কাব্যের পত্রগুলো হলো:
১. দুষ্মন্তের প্রতি শকুন্তলা
২. সোমের প্রতি তারা
৩. জনাদনের প্রতি রুক্মিণী
৪. লক্ষ্মণের প্রতি শূর্পণখা
৫. দশরথের প্রতি কৈকেয়ী
৬. নীলধ্বজের প্রতি জনা
৭. সুমিত্রার প্রতি তারা
৮. শান্তনুর প্রতি জাহ্নবী
৯. অর্জুনের প্রতি দ্রৌপদী
১০. মহাদেবের প্রতি ভবানী
১১. বল্লভীরাজের প্রতি কৈকেয়ী (কাজের কথা)
১. দুষ্মন্তের প্রতি শকুন্তলা
২. সোমের প্রতি তারা
৩. জনাদনের প্রতি রুক্মিণী
৪. লক্ষ্মণের প্রতি শূর্পণখা
৫. দশরথের প্রতি কৈকেয়ী
৬. নীলধ্বজের প্রতি জনা
৭. সুমিত্রার প্রতি তারা
৮. শান্তনুর প্রতি জাহ্নবী
৯. অর্জুনের প্রতি দ্রৌপদী
১০. মহাদেবের প্রতি ভবানী
১১. বল্লভীরাজের প্রতি কৈকেয়ী (কাজের কথা)