মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও আদি নিদর্শন হলো বড়ু চণ্ডীদাস রচিত ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্য।
- এটি রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমকাহিনি নিয়ে রচিত একটি আখ্যানকাব্য, যা ১৩টি খণ্ডে বিভক্ত।
- ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার এক গোয়ালঘর থেকে এই কাব্যের পুঁথিটি আবিষ্কার করেন।
- এটি সাধারণত ১৪শ-১৫শ শতকের রচনা হিসেবে গণ্য হয়
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মূল তথ্য:
- রচয়িতা: বড়ু চণ্ডীদাস
- বিষয়বস্তু: রাধা, কৃষ্ণা ও বড়াই—এই তিন চরিত্রের মাধ্যমে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমকাহিনি
- আবিষ্কার: ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ
- প্রকাশকাল: ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে
- গুরুত্ব: এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের শুরুতে রচিত প্রধান কাব্য, যা বৈষ্ণব পদাবলীর ভিত্তি স্থাপন করেছিল
দ্রষ্টব্য: ‘চর্যাপদ’ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন (প্রাচীন যুগ), আর ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ মধ্যযুগের আদি নিদর্শন।