সোজা কথায়, লোকসাহিত্য হলো সাধারণ মানুষের মুখে মুখে চলে আসা চিরায়ত সাহিত্যের রূপ। গ্রামীণ সাধারণ মানুষের আনন্দ-বেদনা, বিশ্বাস এবং জীবনবোধ যখন কোনো অলিখিত গান, গল্প বা ছড়ার মাধ্যমে বংশপরম্পরায় টিকে থাকে, তাকেই লোকসাহিত্য বলে।
এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
- অলিখিত রূপ: এটি কোনো বই দেখে শেখা হয় না, বরং এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মের কানে কানে বা মুখে মুখে প্রচারিত হয়।
- অজ্ঞাত রচয়িতা: বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর মূল রচয়িতার নাম জানা যায় না; এটি একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর সম্পদ হিসেবে গণ্য হয়।
- সহজ ভাষা: এতে কৃত্রিমতা থাকে না, মানুষের প্রতিদিনের সহজ-সরল আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করা হয়।
লোকসাহিত্যের কিছু উদাহরণ:
১. লোকগাথা বা গীতিকা: যেমন— মৈমনসিংহ গীতিকা (মহুয়া, মলুয়া)।
২. লোকসংগীত: বাউল গান, ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়া, মুর্শিদি গান।
৩. লোককথা ও রূপকথা: যেমন— ঠাকুরমার ঝুলি বা ডালিমকুমারের গল্প।
৪. ছড়া ও প্রবাদ: খনার বচন, ছেলেভুলানো ছড়া বা ধাঁধা।
১. লোকগাথা বা গীতিকা: যেমন— মৈমনসিংহ গীতিকা (মহুয়া, মলুয়া)।
২. লোকসংগীত: বাউল গান, ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়া, মুর্শিদি গান।
৩. লোককথা ও রূপকথা: যেমন— ঠাকুরমার ঝুলি বা ডালিমকুমারের গল্প।
৪. ছড়া ও প্রবাদ: খনার বচন, ছেলেভুলানো ছড়া বা ধাঁধা।
ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা লোকসাহিত্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিলেন।