১৯৩৬ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বাংলা বানান সংস্কারের মূল উদ্দেশ্য ছিল বানানে বিকল্প বর্জন করা। অর্থাৎ, একটি শব্দের প্রচলিত একাধিক বানানের মধ্য থেকে একটিকে 'শুদ্ধ' বা মান্য হিসেবে গ্রহণ করে বানানের সমতা ও প্রমিত রূপ প্রতিষ্ঠা করা। এটি ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনুরোধে গঠিত কমিটির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
মূল উদ্দেশ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
- বিকল্প বর্জন: একই শব্দের প্রচলিত বিভিন্ন বানান বাদ দিয়ে একটি একক ও অভিন্ন বানান চালু করা
- বানানের সমতা: বাংলা বানানকে একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসা
- আধুনিকীকরণ: বাংলা ভাষার বানানকে বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক করে তোল
- বানান সরলীকরণ: অপ্রয়োজনীয় দীর্ঘ-ঈ ও দীর্ঘ-ঊ কার বর্জন করে হ্রস্ব-ই ও হ্রস্ব-উ কারের ব্যবহার বাড়ানো (বিশেষত তদ্ভব ও বিদেশী শব্দে)
এই সংস্কারের ফলে বাংলা ভাষায় 'শ', 'ষ', 'স' এবং অন্যান্য বর্ণের ব্যবহারে একটি মানদণ্ড তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল