সাহিত্যের প্রধান লক্ষ্য হলো সৃজনশীলতা বা সৌন্দর্য সৃষ্টি করা এবং আনন্দের মাধ্যমে পাঠককে জীবনের গভীর সত্য, মানবিক অনুভূতি ও সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করানো। এটি মনোরঞ্জনের পাশাপাশি মানুষের কল্পনাশক্তিতে নাড়া দেয়, সহানুভূতি জাগিয়ে তোলে এবং সমাজের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তুলে সচেতনতা বৃদ্ধি করে
সাহিত্যের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের বিস্তারিত দিক:
- সৌন্দর্য ও শিল্প সৃষ্টি: সাহিত্যের প্রাথমিক কাজ হলো ভাষা ও শৈলীর সুষমা ব্যবহার করে নান্দনিক আনন্দ প্রদান করা
- মানবিক অনুভূতি ও সহানুভূতি: পাঠককে মানুষের সুখ-দুঃখ, প্রেম-ভালোবাসা এবং জীবনবোধের সাথে পরিচিত করিয়ে সংবেদনশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা
- সমাজ ও সংস্কৃতির দর্পণ: সমাজের অবক্ষয়, বৈষম্য, ন্যায়-অন্যায়, ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরা
- মনোরঞ্জন ও আনন্দদান: পাঠককে কল্পনার জগতে নিয়ে গিয়ে বা বাস্তবতার ছদ্মবেশে আনন্দ বা 'রস' আস্বাদন করানো
- মানবিক মূল্যবোধ সংরক্ষণ: মানুষের মনে নৈতিকতা ও মূল্যবোধের জায়গা তৈরি করে দেওয়া
সংক্ষেপে, সাহিত্য মানুষকে 'মানুষ' হতে এবং জীবনের বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতাকে অনুভব করতে সাহায্য করে