রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শব্দের শুরুতে 'এ'-কার এবং 'এ্যা'-কারের উচ্চারণগত পার্থক্য নির্দেশ করতে মাত্রাযুক্ত ও মাত্রাহীন ব্যবহারের প্রচলন করেছিলেন।
- স্বাভাবিক 'এ' (যেমন: এক) শব্দের শুরুতে মাত্রাহীন এবং 'এ্যা' (যেমন: একা, যেন) ধ্বনি বোঝাতে তিনি মাত্রাযুক্ত 'এ'-কার ব্যবহার করতেন, যা উচ্চারণ সুনির্দিষ্ট করতে সাহায্য করত।
- মাত্রাহীন এ-কার (এ): সাধারণ 'এ' ধ্বনি (যেমন: এবার, একটি)।
- মাত্রাযুক্ত এ-কার (এ-কার): 'এ্যা' বা বাঁকা উচ্চারণ (যেমন: একা, যেন, কেন)।
মূলত বাংলার উচ্চারণশৈলীকে আরও স্পষ্ট ও শুদ্ধ করার প্রয়াসে তিনি এই নিয়মটি ব্যবহার করতেন।