যে ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখ দিয়ে অধিক বাতাস বের হয় ও নিচের চোয়ালের মাংসপেশিতে বেশি চাপ পড়ে, সেই ব্যঞ্জনগুলোকে মহাপ্রাণ ব্যঞ্জন বা মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে।
মূল বৈশিষ্ট্য:
- বাতাসের আধিক্য: উচ্চারণে ফুসফুস থেকে বেশি বাতাস নির্গত হয়।
- প্রয়োজনীয় চাপ: উচ্চারণের সময় পেশিতে চাপ বেশি লাগে।
- উদাহরণ: খ, ঘ, ছ, ঝ, ঠ, ঢ, থ, ধ, ফ, ভ।
বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ ব্যঞ্জনগুলো সাধারণত মহাপ্রাণ হয়