বাংলা ব্যঞ্জনধ্বনির প্রতিটি বর্গের দ্বিতীয় বর্ণটি হলো অঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি।
নিচে এর উদাহরণগুলো দেওয়া হলো:
- খ, ছ, ঠ, থ, ফ
ব্যাখ্যা:
১. অঘোষ ধ্বনি: যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কাঁপে না, তাদের অঘোষ ধ্বনি বলে। বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণগুলো (যেমন: ক, খ, চ, ছ) অঘোষ ধ্বনি।
২. মহাপ্রাণ ধ্বনি: যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে, তাদের মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে। বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণগুলো মহাপ্রাণ ধ্বনি।
১. অঘোষ ধ্বনি: যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কাঁপে না, তাদের অঘোষ ধ্বনি বলে। বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণগুলো (যেমন: ক, খ, চ, ছ) অঘোষ ধ্বনি।
২. মহাপ্রাণ ধ্বনি: যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে, তাদের মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে। বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণগুলো মহাপ্রাণ ধ্বনি।
সুতরাং, বর্গের দ্বিতীয় বর্ণটি একই সাথে অঘোষ এবং মহাপ্রাণ গুণের অধিকারী। যেমন: ক-বর্গের 'খ', চ-বর্গের 'ছ' ইত্যাদি।