সহজ কথায়, ব্যাকরণের প্রধান কাজ হলো ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষা করা।
এর মূল কাজগুলোকে নিচে কয়েকটি পয়েন্টে দেওয়া হলো:
১. ভাষাকে বিশ্লেষণ করা: ভাষার বিভিন্ন উপাদান (ধ্বনি, শব্দ, বাক্য) কীভাবে গঠিত হয় তা বৈজ্ঞানিকভাবে বিশ্লেষণ করা।
২. নিয়ম প্রণয়ন: ভাষা ব্যবহারের সঠিক নিয়মগুলো সুনির্দিষ্ট করা, যাতে আমরা শুদ্ধভাবে বলতে, পড়তে ও লিখতে পারি।
৩. ভাষার বিবর্তন লক্ষ্য করা: ভাষা সময়ের সাথে কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে, তা পর্যবেক্ষণ করা এবং সেই পরিবর্তনকে ব্যাকরণে স্থান দেওয়া।
৪. সুসংগত রাখা: ভাষার মধ্যে যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয় এবং এর গঠন যাতে সুসংগত থাকে, সেই সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করা।
২. নিয়ম প্রণয়ন: ভাষা ব্যবহারের সঠিক নিয়মগুলো সুনির্দিষ্ট করা, যাতে আমরা শুদ্ধভাবে বলতে, পড়তে ও লিখতে পারি।
৩. ভাষার বিবর্তন লক্ষ্য করা: ভাষা সময়ের সাথে কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে, তা পর্যবেক্ষণ করা এবং সেই পরিবর্তনকে ব্যাকরণে স্থান দেওয়া।
৪. সুসংগত রাখা: ভাষার মধ্যে যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয় এবং এর গঠন যাতে সুসংগত থাকে, সেই সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করা।
এক কথায়, ব্যাকরণকে বলা হয় 'ভাষার সংবিধান' বা 'ভাষার আইন'।