একটি সার্থক বাক্যের প্রধান ৩টি গুণ হলো—আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা
১. আকাঙ্ক্ষা: বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা, তাই আকাঙ্ক্ষা। যেমন: "আমি তোমাকে..." বললে আরও কিছু শোনার ইচ্ছা থাকে।
২. আসত্তি: বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই আসত্তি [৫]। শব্দগুলো সঠিক স্থানে না থাকলে অর্থ প্রকাশ পায় না। যেমন: "বাবা বাজার থেকে ইলিশ এনেছেন"
৩. যোগ্যতা: বাক্যের অন্তর্গত পদগুলোর মধ্যে অর্থগত ও ভাবগত মেলবন্ধনকে যোগ্যতা বলে। যেমন: "রোদ প্লাবন সৃষ্টি করে" - এটি কোনো যোগ্য বাক্য নয়
২. আসত্তি: বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই আসত্তি [৫]। শব্দগুলো সঠিক স্থানে না থাকলে অর্থ প্রকাশ পায় না। যেমন: "বাবা বাজার থেকে ইলিশ এনেছেন"
৩. যোগ্যতা: বাক্যের অন্তর্গত পদগুলোর মধ্যে অর্থগত ও ভাবগত মেলবন্ধনকে যোগ্যতা বলে। যেমন: "রোদ প্লাবন সৃষ্টি করে" - এটি কোনো যোগ্য বাক্য নয়
এছাড়া, বাক্য মানুষের মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে এবং এতে বাক্যের অন্তর্গত পদগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক থাকে