বাংলা ভাষার সাধু রীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর গুরুগম্ভীর, তৎসম শব্দবহুল এবং ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট ও অপরিবর্তনীয় নিয়ম অনুসরণ
- এই রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের পূর্ণাঙ্গ রূপ (যেমন: 'করিতেছে', 'তাহারা') ব্যবহৃত হয় এবং এটি প্রধানত লেখ্য ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়
সাধু রীতির মূল বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
- তৎসম শব্দের ব্যবহার: সাধু রীতিতে সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশি থাকে
- ক্রিয়া ও সর্বনামের পূর্ণরূপ: ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয় (যেমন: 'খাইতেছে' > 'খাচ্ছে', 'তাহার' > 'তার')
- ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম: এই রীতির ব্যাকরণগত কাঠামো সুনির্ধারিত ও অপরিবর্তনীয়
- গুরুগম্ভীর ও মার্জিত: এটি গুরুগম্ভীর, ধ্রুপদী এবং সাধারণত নাটক বা সংলাপে অনুপযোগী
- অনুসর্গের পূর্ণরূপ: অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়