বাংলা ছন্দ মূলত তিন প্রকার: স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত এবং অক্ষরবৃত্ত ।
- এই ছন্দগুলো শ্বাস বা ঝোঁক, মাত্রার গণনা এবং অক্ষরের বিন্যাসের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়
- এছাড়া আধুনিক কবিতায় গদ্যছন্দ বা মুক্তক ছন্দের ব্যবহারও ব্যাপক
বাংলা ছন্দের বিস্তারিত প্রকারভেদ:
- ১. স্বরবৃত্ত ছন্দ (দলবৃত্ত/ছড়ার ছন্দ): দ্রুত লয়ের ছন্দ, যেখানে প্রতিটি পর্বের মাত্রা সাধারণত ৪ হয়। ছড়া বা লোকগীতিতে এর ব্যবহার বেশি।
- ২. মাত্রাবৃত্ত ছন্দ (কলাবৃত্ত ছন্দ): মধ্যম লয়ের ছন্দ, যেখানে মাত্রার গণনা বা ধ্বনিপ্রধান হয়। এতে সাধারণত ৪, ৫, ৬ বা ৭ মাত্রার পর্ব থাকে।
- ৩. অক্ষরবৃত্ত ছন্দ (মিশ্রবৃত্ত/মিশ্রকলাবৃত্ত ছন্দ): ধীর ও গম্ভীর লয়ের ছন্দ। একে পয়ার বা সনেটের ছন্দও বলা হয়, যা বাংলা কাব্যের অন্যতম প্রধান ধারা।
- ৪. গদ্যছন্দ (মুক্তক ছন্দ): প্রথাগত ছন্দ বা মাত্রা বিভাজন না থাকলেও, এতে শব্দের বিন্যাসে এক ধরণের কাব্যিক মাধুর্য ও ধ্বনি থাকে