পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর প্রধান সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎসব 'বৈসাবি' (বৈসুক-সাংগ্রাই-বিজু) প্রতি বছর চৈত্র মাসের শেষ দুই দিন এবং বৈশাখের প্রথম দিন—মোট তিন দিন ধরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হয়।
- এই উৎসব পুরাতন বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে বরণ করতে এপ্রিল মাসে (বাংলা নববর্ষের সময়) রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে অনুষ্ঠিত হয়।
বৈসাবি উৎসবের মূল তথ্যসমূহ:
- সময়কাল: চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষের (১৪-১৬ এপ্রিল বা কাছাকাছি সময়ে) সময়।
- অংশগ্রহণকারী: চাকমা, মারমা, ত্রিপুরাসহ পাহাড়ি বিভিন্ন সম্প্রদায়।
- প্রথম দিন (ফুল বিজু/বৈসু): নদীতে ফুল ভাসিয়ে দেবীকে পূজা করা হয়।
- মূল উৎসব (বিজু/সাংগ্রাই): ঘরে ঘরে বিশেষ খাবার (পাচন) ও উৎসব পালিত হয়।
- শেষ দিন: মারমাদের জলকেলি বা পানি খেলার মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি ঘটে।
বৈসাবি হলো ত্রিপুরাদের 'বৈসুক', মারমাদের 'সাংগ্রাই' এবং চাকমাদের 'বিজু'—এই তিন উৎসবের মিলিত রূপ, যা পাহাড়ে ঐক্যের প্রতীক হিসেবে পরিচিত