সৈয়দ শামসুল হকের 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কাব্যনাট্যের মূল বিষয় হলো বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ।
এটি একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ যুদ্ধোত্তর নাটক, যা মুক্তিযুদ্ধের একদম শেষ মুহূর্তের প্রেক্ষাপটে রচিত। নাটকটির প্রধান বিষয়বস্তুগুলো হলো:
১. পাকিস্তানি হানাদারদের নৃশংসতা ও পরাজয়: নাটকে যুদ্ধের শেষ দিনগুলোতে পাক বাহিনীর পিছু হটা এবং তাদের নৃশংস অত্যাচারের চিত্র ফুটে উঠেছে।
২. গণমানুষের প্রতিবাদ: গ্রামের সাধারণ মানুষ ও মুক্তিকামী জনতার সাহসিকতা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে জেগে ওঠার গল্প এখানে প্রধান।
৩. ধর্মের অপব্যবহার ও সামাজিক সংকট: ধর্মের দোহাই দিয়ে যারা হানাদার বাহিনীর দোসর হিসেবে কাজ করেছে (যেমন নাটকের 'মাতব্বর' চরিত্র), তাদের মুখোশ উন্মোচন এবং সামাজিক সংকট দেখানো হয়েছে।
৪. পরাজয় ও মুক্তির বার্তা: একজন পাকিস্তানি ক্যাপ্টেন এবং গ্রামের মানুষের দ্বান্দ্বিক সম্পর্কের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের আসন্ন বিজয়কে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
২. গণমানুষের প্রতিবাদ: গ্রামের সাধারণ মানুষ ও মুক্তিকামী জনতার সাহসিকতা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে জেগে ওঠার গল্প এখানে প্রধান।
৩. ধর্মের অপব্যবহার ও সামাজিক সংকট: ধর্মের দোহাই দিয়ে যারা হানাদার বাহিনীর দোসর হিসেবে কাজ করেছে (যেমন নাটকের 'মাতব্বর' চরিত্র), তাদের মুখোশ উন্মোচন এবং সামাজিক সংকট দেখানো হয়েছে।
৪. পরাজয় ও মুক্তির বার্তা: একজন পাকিস্তানি ক্যাপ্টেন এবং গ্রামের মানুষের দ্বান্দ্বিক সম্পর্কের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের আসন্ন বিজয়কে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক কাব্যনাট্য হিসেবে স্বীকৃত।