১৯২৩ সালে প্রকাশিত দীনেশরঞ্জন দাশ সম্পাদিত 'কল্লোল' পত্রিকাকে ঘিরে একটি স্বতন্ত্র ও শক্তিশালী সাহিত্যিক বলয় তৈরি হয়েছিল, যা রবীন্দ্র-রোমান্টিক ধারার বাইরে গিয়ে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের সূচনা করে।
- এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করে অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত, প্রেমেন্দ্র মিত্র, বুদ্ধদেব বসু, নজরুল ইসলাম প্রমুখ তরুণ লেখকদের নিয়ে 'কল্লোল যুগ' বা 'কল্লোল গোষ্ঠী' নামে পরিচিত এক নতুন ধারার সাহিত্য বলয় গড়ে ওঠে।
কল্লোল পত্রিকাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা সাহিত্যিক বলয়ের মূল বৈশিষ্ট্য:
- বিদ্রোহ ও নতুনত্ব: রবীন্দ্র প্রভাবের বাইরে গিয়ে বাস্তববাদী ও ইউরোপীয় সাহিত্যের প্রভাবে নতুন ধারার সাহিত্য রচনা
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব: যুদ্ধের পরের ক্লান্তি, হতাশা এবং সমাজের নিচু তলার মানুষের জীবনের কথা লেখায় ফুটে ওঠে
- নতুন লেখক গোষ্ঠী: কল্লোল গোষ্ঠীর লেখকরা বয়সে তরুণ এবং সৃষ্টিতে ছিলেন অদম্য