মানুষের মুখনিঃসৃত বা কণ্ঠ থেকে উচ্চারিত সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম অর্থবোধক আওয়াজই হলো ধ্বনি (Sound)।
- এটি ভাষার মৌলিক উপাদান, যা বাকযন্ত্রের (যেমন- ফুসফুস, গলনালি, জিহ্বা, ঠোঁট) সাহায্যে তৈরি হয় এবং কানে শোনা যায়।
- ধ্বনি সাধারণত দুই প্রকার: স্বরধ্বনি (যে ধ্বনি উচ্চারণে বাধা পায় না) ও ব্যঞ্জনধ্বনি (যে ধ্বনি উচ্চারণে বাধা পায়)।
মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সংজ্ঞা: ভাষার ক্ষুদ্রতম উচ্চারিত একক
- উৎস: কণ্ঠনালী ও বাগযন্ত্র
- ধরন: কানে শোনার বিষয়, দেখার নয় (দৃশ্যমান রূপ হলো 'বর্ণ')
- প্রকারভেদ: স্বরধ্বনি (যেমন: অ, আ) এবং ব্যঞ্জনধ্বনি (যেমন: ক, খ)
ধ্বনি ও বর্ণের পার্থক্য:
ধ্বনি হলো মুখের আওয়াজ, আর বর্ণ হলো সেই ধ্বনির লিখিত প্রতীক বা চিহ্ন
ধ্বনি হলো মুখের আওয়াজ, আর বর্ণ হলো সেই ধ্বনির লিখিত প্রতীক বা চিহ্ন