ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের অন্যতম প্রধান প্রভাব হলো আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং রপ্তানি আয় বৃদ্ধি
- টাকার মান কমে গেলে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানিতে বেশি টাকা খরচ হয়, যা দেশে আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতি বা পণ্যের দাম বাড়ায়
- অন্যদিকে, রপ্তানিকারকরা সমপরিমাণ ডলারে আগের চেয়ে বেশি টাকা পাওয়ায় তা রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে
টাকার অবমূল্যায়নের আরও কিছু প্রভাব নিচে দেওয়া হলো:
- মূল্যস্ফীতি: জ্বালানি তেল, কাঁচামাল ও খাদ্যপণ্য আমদানির খরচ বাড়ায় দেশে সাধারণ পণ্যের দাম বেড়ে যায়
- বৈদেশিক ঋণ বৃদ্ধি: টাকার মান কমলে ডলারের তুলনায় ঋণের অংক বেড়ে যায়, যার ফলে সরকারের ওপর ঋণের বোঝা বাড়ে
- প্রবাসী আয় বৃদ্ধি: প্রবাসী বাংলাদেশিরা টাকা পাঠালে এখন আগের চেয়ে বেশি টাকা পান
- ভ্রমণ ও শিক্ষা ব্যয়: বিদেশ ভ্রমণ, চিকিৎসা এবং পড়াশোনা আগের চেয়ে অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে
মূলত, এটি একটি আমদানিনির্ভর দেশের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেললেও, রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য তা সুবিধাজনক হতে পারে