চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ সংস্কারে রাজনৈতিক ঐকমত্যের অন্যতম প্রধান প্রস্তাব হলো দ্বি-স্তর বিশিষ্ট সংসদ (Bicameral Parliament) গঠন করা। এই প্রস্তাবের লক্ষ্য হলো সংসদীয় ব্যবস্থাকে অধিক কার্যকর, জবাবদিহিমূলক এবং প্রতিনিধিত্বমূলক করা।
মূল সংস্কার প্রস্তাবগুলোর অন্যতম দিকসমূহ:
- উচ্চকক্ষ গঠন: জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি ১০০ সদস্যের একটি উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাব, যা রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে গঠিত হবে।
- সংবিধান সংশোধনে বাধা: সংবিধানের মৌলিক কোনো পরিবর্তন বা সংশোধন করতে হলে সংসদের উচ্চকক্ষ (Upper House) এবং নিম্নকক্ষ (Lower House) উভয়ের অনুমোদন, অথবা জনমত যাচাই (Referendum) বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব।
- গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা: জুলাই সনদ (July Charter) অনুযায়ী, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা, নির্বাচন কমিশন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার মতো মৌলিক সাংবিধানিক সংস্কারের প্রস্তাব।
এই সংস্কারগুলো দেশের রাজনীতিকে সংঘাতমুক্ত, স্থিতিশীল এবং গণতান্ত্রিক করার লক্ষ্যে ঐকমত্যের ভিত্তিতে উত্থাপন করা হয়েছে।