বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম প্রধানত নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করে স্বাবলম্বী করে তোলা এবং দারিদ্র্য হ্রাস করতে ভূমিকা রাখে [।
- এটি গ্রামীণ নারীদের আয়বর্ধক কাজে নিয়োজিত করে নারীর ক্ষমতায়ন ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে
ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের প্রধান দিকগুলো নিচে দেওয়া হলো:
- নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়ন: ক্ষুদ্রঋণের সিংহভাগ গ্রাহক নারী, যা গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ বাড়িয়েছে
- দারিদ্র্য বিমোচন: সহজশর্তে জামানতবিহীন ঋণের মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আয়ের উৎস সৃষ্টি করে দারিদ্র্য কমাতে সাহায্য করে
- কর্মসংস্থান সৃষ্টি: ক্ষুদ্র ব্যবসা, গবাদি পশু পালন ও কৃষিনির্ভর কাজের মাধ্যমে গ্রামীণ উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা করে
- আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন: শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টির মতো মৌলিক চাহিদা পূরণে গ্রামীণ পরিবারগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করে
মূলত, গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীদের স্বাবলম্বী করার মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনই ক্ষুদ্রঋণের প্রধান উদ্দেশ্য