ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing) হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম্পিউটার রিসোর্স (সার্ভার, স্টোরেজ, ডাটাবেস, সফটওয়্যার) চাহিবা মাত্র ব্যবহার বা ভাড়া নেওয়ার প্রযুক্তি।
- নিজের হার্ডড্রাইভে তথ্য না রেখে গুগল ড্রাইভ বা ড্রপবক্সের মতো অনলাইন সার্ভারে ডেটা রাখা এবং ব্যবহার করাই এর মূল কাজ।
- এতে হার্ডওয়্যারের রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কমে এবং যেকোনো স্থান থেকে ফাইল অ্যাক্সেস করা যায়।
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- অন-ডিমান্ড সার্ভিস: যখন প্রয়োজন তখনই সেবা পাওয়া যায়।
- ইন্টারনেট নির্ভর: ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার ব্যবহার করা হয়।
- পে-অ্যাজ-ইউ-গো (Pay-as-you-go): শুধুমাত্র যতটুকু ব্যবহার করা হয়েছে, ততটুকুর জন্যই মূল্য পরিশোধ করতে হয়।
- রক্ষণাবেক্ষণ: হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সার্ভিস প্রোভাইডারের, ইউজারের নয়।
জনপ্রিয় ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান:
- Google Cloud: গুগল ড্রাইভ, জিমেইল।
- Amazon Web Services (AWS):
- Microsoft Azure:
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সুবিধা:
- খরচ কম: নিজস্ব শক্তিশালী হার্ডওয়্যার কেনার প্রয়োজন নেই।
- সহজেই স্কেলেবল: চাহিদা বাড়লে রিসোর্স সহজেই বাড়ানো যায়।
- নিরাপত্তা: ডেটা হারানোর ঝুঁকি কম, কারণ ক্লাউড প্রোভাইডাররা ডেটা ব্যাকআপ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
সহজ কথায়, নিজের কম্পিউটার বা অফিসের সার্ভারের পরিবর্তে ইন্টারনেটে অন্যের সার্ভার ব্যবহার করে কাজ করাই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।]