'ক্রীতদাসের হাসি' (১৯৬২) শওকত ওসমানের রচিত একটি কালজয়ী রূপক উপন্যাস, যা মূলত ১৯৫৮ সালের আইয়ুব খানের স্বৈরশাসন ও সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে লেখা
- আরব্য রজনীর আবহ এবং বাগদাদের খলিফা হারুন-অর-রশিদের পটভূমিতে লেখা এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হাবশি গোলাম তাতারী ।
- এর মাধ্যমে লেখক শোষিত মানুষের অবদমিত কণ্ঠস্বর তুলে ধরেছেন।
মূল তথ্যসমূহ:
- লেখক: শওকত ওসমান
- ধরন: রূপক বা সাংকেতিক উপন্যাস (Allegorical Novel)
- প্রেক্ষাপট: ঐতিহাসিক বাগদাদ হলেও এটি প্রকৃতপক্ষে আইয়ুব খানের দুঃশাসনের প্রতিবাদ
- প্রধান চরিত্র: তাতারী (এক দাস) ও মেহেরজান (বাদি)
- পুরস্কার: ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হওয়ার পর এটি আদমজী সাহিত্য পুরস্কার লাভ করে।
মূল কাহিনী ও প্রতীকী তাৎপর্য:
উপন্যাসটির মূল উপজীব্য হলো—'হাসি মানুষের আত্মার প্রতিধ্বনি'। খলিফা হারুন-অর-রশিদ তার অঢেল সম্পদ ও ক্ষমতার মাধ্যমে সবকিছু কিনতে পারলেও, তাতারী নামক দাসের প্রকৃত প্রাণখোলা হাসি কিনতে পারেন না, যা স্বৈরশাসকের ব্যর্থতার প্রতীক । তাতারীর হাসি কেড়ে নেওয়ায়, তার ভেতরে যে দীর্ঘশ্বাস ও প্রতিবাদের ভাষা তৈরি হয়, তা এখানে ফুটে উঠেছে
উপন্যাসটির মূল উপজীব্য হলো—'হাসি মানুষের আত্মার প্রতিধ্বনি'। খলিফা হারুন-অর-রশিদ তার অঢেল সম্পদ ও ক্ষমতার মাধ্যমে সবকিছু কিনতে পারলেও, তাতারী নামক দাসের প্রকৃত প্রাণখোলা হাসি কিনতে পারেন না, যা স্বৈরশাসকের ব্যর্থতার প্রতীক । তাতারীর হাসি কেড়ে নেওয়ায়, তার ভেতরে যে দীর্ঘশ্বাস ও প্রতিবাদের ভাষা তৈরি হয়, তা এখানে ফুটে উঠেছে