সাধারণত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা (যেমন: বিসিএস) বা আইনি সংজ্ঞার প্রেক্ষাপটে "আয়কর ফাঁকি দেয়া" (Tax Evasion) বিষয়টি সরাসরি মুদ্রাপাচারের পদ্ধতি বা প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত নয়। যদিও এটি মুদ্রাপাচারের একটি উৎস অপরাধ (Predicate Offense) হতে পারে, তবে এটি সরাসরি অর্থ পাচার বা রূপান্তর করার প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হয় না।
মুদ্রাপাচারের অন্তর্ভুক্ত প্রধান বিষয়গুলো হলো:
- রপ্তানি পণ্যের অবমূল্যায়ন (Under-invoicing of Exports): বিদেশে অর্থ পাঠানোর উদ্দেশ্যে রপ্তানি করা পণ্যের প্রকৃত দাম কম দেখানো।
- আমদানি পণ্যের অধিক মূল্য নির্ধারণ (Over-invoicing of Imports): বেশি দামে পণ্য আমদানির ভান করে বিদেশে অতিরিক্ত অর্থ পাঠানো।
- অবৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠানো (Hundi): বৈধ ব্যাংকিং ব্যবস্থা এড়িয়ে অবৈধ পথে (যেমন: হুন্ডি) বিদেশে টাকা পাচার করা।
অন্যান্য ক্ষেত্রে, মুদ্রাপাচারের উপাদানের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয় জানতে চাইলে উত্তর হিসেবে "যৌক্তিকতা" (Rationalization) শব্দটিও ব্যবহৃত হতে পারে, কারণ এটি অপরাধের কারণ হিসেবে বিবেচ্য হলেও মুদ্রাপাচারের কোনো ধাপ নয়