বাংলা ব্যাকরণে মূলত পুরুষবাচক শব্দের আগে স্ত্রীবাচক শব্দ (যেমন: নারী, মেয়ে, মাদী) যোগ করে কিছু শব্দের লিঙ্গান্তর করতে হয়। বিশেষ করে যে শব্দগুলো দিয়ে নির্দিষ্ট কোনো লিঙ্গ বোঝায় না বা যেগুলোর আলাদা কোনো স্ত্রীবাচক রূপ নেই, সেগুলোর ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকর।
এর প্রধান উদাহরণগুলো হলো:
- কবি → মহিলা কবি
- ডাক্তার → মহিলা ডাক্তার / নারী ডাক্তার
- সৈন্য → নারী সৈন্য
- শিল্পী → মহিলা শিল্পী
- বিড়াল → মাদী বিড়াল
- হাঁস → মাদী হাঁস
এছাড়াও 'এয়ো', 'দাই', 'সতী' বা **'অর্ধাঙ্গিনী'**র মতো কিছু শব্দ আছে যেগুলোর কেবল স্ত্রীবাচক রূপই হয় (নিত্য স্ত্রীবাচক), এগুলোর আগে সাধারণত কোনো পুরুষবাচক শব্দ যোগ করা যায় না।