বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ-এ সান্ধ্যভাষার (সন্ধ্যাভাষা) প্রয়োগ পাওয়া যায়
- চর্যাপদের পদগুলোতে বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাচার্যরা বৌদ্ধধর্মের গূঢ় সাধনপ্রণালী ও দার্শনিক তত্ত্ব রূপক বা আলো-আঁধারি ভাষার মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন, যা সাধারণের কাছে দুর্বোধ্য ছিল
- চর্যাপদ (Charyapada): হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এই পদগুলো 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোঁহা' গ্রন্থে সংকলন করেন
- কেন সান্ধ্যভাষা বলা হয়: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বলেছেন, এই ভাষা "কতক আলো, কতক অন্ধকার", অর্থাৎ পুরোপুরি বোঝা যায় না । এটি মূলত সাধন-ভজন বা গূঢ় তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে তৈরি ভাষা।
- চর্যাপদের ভাষা: এটি বাংলা ভাষার আদি রূপ। চর্যাপদের পদ সংখ্যা নিয়ে মতভেদ থাকলেও বর্তমানে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া গেছে
এটি বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসেবে চর্যার ভাষাকেই সান্ধ্যভাষা বলা হয়