বাংলাদেশে রপ্তানি বহুমুখীকরণে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ফসল হলো আলু, পাট এবং বিভিন্ন শাকসবজি ও ফলমূল
- বিশ্ববাজারে এগুলোর ব্যাপক চাহিদা, উচ্চ উৎপাদনশীলতা, প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তোলার সুযোগ এবং অর্গানিক বা নিরাপদ খাদ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে এসব ফসল রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে
প্রধান সম্ভাবনাময় কৃষিপণ্যসমূহ:
- আলু: বাংলাদেশে চাহিদার তুলনায় ৩০-৪০ লাখ টন উদ্বৃত্ত উৎপাদন হয়, যা রপ্তানির বড় সুযোগ [৩]। কন্দাল ফসল হিসেবে আলু প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের জন্য অত্যন্ত উপযোগী
- পাট ও পাটজাত পণ্য: বহুমুখী পাটজাত পণ্য (যেমন- পাটের ব্যাগ, হস্তশিল্প, পাটের পাতা বা ‘জুট পানীয়’) বিশ্ববাজারে পরিবেশবান্ধব পণ্য হিসেবে জনপ্রিয় হচ্ছে
- শাকসবজি ও ফলমূল: তাজা শাকসবজি, সুগন্ধি চাল, ড্রাগন ফল, কাঁঠাল ও নানা রকম মসলা মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে
- মাশরুম: চাহিদা ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সুবিধা থাকায় মাশরুম রপ্তানির একটি নতুন সম্ভাবনাময় খাত
রপ্তানি বৃদ্ধির কৌশল:
রপ্তানি বহুমুখীকরণে কন্ট্রাক্ট ফার্মিং (Contract Farming), নিরাপদ ও বিষমুক্ত ফসল উৎপাদন, আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র স্থাপন এবং উন্নত প্যাকেজিংয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে
রপ্তানি বহুমুখীকরণে কন্ট্রাক্ট ফার্মিং (Contract Farming), নিরাপদ ও বিষমুক্ত ফসল উৎপাদন, আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র স্থাপন এবং উন্নত প্যাকেজিংয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে