উপসর্গের সাহায্যে গঠিত কর্মধারয় সমাসে সাধারণত বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মিলনে পরপদের অর্থের প্রাধান্য থাকে, যেখানে উপসর্গটি পূর্বপদে থেকে বিশেষণ হিসেবে কাজ করে
গঠন প্রক্রিয়া: উপসর্গ (বিশেষণ) + বিশেষ্য = কর্মধারয় সমাস।
উদাহরণসমূহ:
- স+কাল = সকাল: ভালো যে কাল (এখানে 'স' উপসর্গটি বিশেষণের কাজ করছে)।
- স+ততা (সত্যতা) = সততা: সদ যে তা (সৎ বা ভালো হওয়া)।
- এ+কাল = একাল: এই যে কাল (এখানে 'এ' একটি নির্দেশক উপসর্গ বা অব্যয় হিসেবে কাজ করেছে)
- সু (সুন্দর) + সুজন: সু (সু) যে জন = সুজন (ভালো জন) ।
এই ধরণের সমাসে উপসর্গটি বিশেষণ হিসেবে বসে পরপদের গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে।