যেসব শব্দ বা শব্দগুচ্ছ আভিধানিক বা শাব্দিক অর্থ ছাপিয়ে বিশেষ কোনো ভাব বা অর্থ (লক্ষ্যার্থ) প্রকাশ করেতাকে বাগধারা বা বাগবিধি বলা হয়। এগুলো ভাষার সৌন্দর্যগাম্ভীর্য ও অর্থকে নিপুণভাবে প্রকাশ করে। যেমন: 'অকাল কুষ্মাণ্ড' অর্থ অপদার্থযা আক্ষরিক অর্থে কুড়ো (কুমড়ো) বোঝায় না।
বাগধারা সাধারণত বাংলা ব্যাকরণের অর্থতত্ত্ব (Semantics) অংশে আলোচনা করা হয়।
যেহেতু বাগধারা বা বাগবিধি (Idioms) শব্দের সাধারণ অর্থের বাইরে ভিন্ন বা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তাই অর্থের প্রাসঙ্গিকতার কারণে এটি অর্থতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
বাগধারা ভাষাকে সংক্ষিপ্ত, ইঙ্গিতময় ও রসমধুর করে উপস্থাপন করে।
গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা ও উদাহরণ:
- আকুপাকু=ব্যস্ততার ভাব
- A to Z=সম্পূর্ণভাবে
- তামার বিষ=অর্থের কু প্রভাব
- উজারে কৈ=সহজলভ্য
- ঊনকোটি চৌষট্টি=প্রায় সম্পূর্ণ
- চক্ষুদান করা=চুরি করা
- কুল কাঠের আগুন=তীব্রজ্বালা
- অক্কাপাওয়া=মৃত্যু
- "ত্রিশঙ্কু দশা=দোটানা অবস্থা হওয়া
- অকূল পাথার=মহাবিপদ
- বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ=বুড়োর ভীমরতি