বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়নের একক ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত।
- সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ যেকোনো নতুন আইন তৈরি, প্রচলিত আইন সংশোধন, পরিবর্ধন বা বাতিল করতে পারে।
- এ ছাড়া আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সংসদ অন্য কোনো সংস্থাকে বিধি বা উপবিধি তৈরির ক্ষমতা প্রদান করতে পারে।
আইন প্রণয়ন ক্ষমতার মূল দিকসমূহ:
- চূড়ান্ত কর্তৃপক্ষ: সংসদীয় গণতন্ত্রে জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী।
- আইন প্রণয়ন পদ্ধতি: কোনো বিল সংসদে গৃহীত হলে তা রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য পেশ করা হয় এবং রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর তা আইনে পরিণত হয়।
- সংবিধান সংশোধন: সংবিধান সংশোধন বা পরিবর্তন করার বিশেষ ক্ষমতা সংসদের রয়েছে, যার জন্য দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন হয়।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি: রাষ্ট্রপতি বিল পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি দেবেন, অথবা কোনো অর্থবিল না হলে তা পুনর্বিবেচনার জন্য সংসদে ফেরত পাঠাতে পারেন।
- আর্থিক ক্ষমতা: সংসদের অনুমতি ব্যতীত সরকার কোনো কর আরোপ বা সংগ্ৰহ করতে পারে না।
আইন প্রণয়ন পদ্ধতি:
১. বিল উত্থাপন: আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে যেকোনো প্রস্তাব বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করা হয়।
২. বিল পাস: সংসদ সদস্যদের আলোচনা ও বিতর্কের মাধ্যমে বিল অনুমোদিত হয়।
৩. রাষ্ট্রপতির সম্মতি: পাস হওয়া বিল রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়। রাষ্ট্রপতি ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি না দিলে বা ফেরত না পাঠালে বিলটি পাস হয়েছে বলে গণ্য হয়
১. বিল উত্থাপন: আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে যেকোনো প্রস্তাব বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করা হয়।
২. বিল পাস: সংসদ সদস্যদের আলোচনা ও বিতর্কের মাধ্যমে বিল অনুমোদিত হয়।
৩. রাষ্ট্রপতির সম্মতি: পাস হওয়া বিল রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়। রাষ্ট্রপতি ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি না দিলে বা ফেরত না পাঠালে বিলটি পাস হয়েছে বলে গণ্য হয়