ব্লু ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতি সরাসরি সমুদ্র এবং সামুদ্রিক সম্পদ নির্ভর অর্থনীতির সাথে সম্পর্কিত। এটি মূলত সমুদ্রের বিশাল জলরাশি, তলদেশের খনিজ সম্পদ, সামুদ্রিক মৎস্য, পর্যটন এবং পরিবহণ খাত ব্যবহার করে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের একটি কৌশল।
ব্লু ইকোনমির মূল ক্ষেত্রসমূহ:
- সামুদ্রিক মৎস্য ও সম্পদ: মাছ ধরা, চাষ (Aquaculture) ও খনিজ সম্পদ আহরণ।
- পরিবহন ও বন্দর: সামুদ্রিক বাণিজ্য, শিপিং এবং বন্দর ব্যবস্থাপনা।
- নবায়নযোগ্য শক্তি: সমুদ্রের বাতাস ও ঢেউ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন।
- পর্যটন: উপকূলীয় ও সামুদ্রিক পর্যটন ব্যবস্থার উন্নয়ন।
সংক্ষেপে, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে সমুদ্রের সম্পদকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নই হলো ব্লু ইকোনমি।