ব্লু ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতি সমুদ্র, মহাসাগর এবং উপকূলীয় সম্পদের টেকসই ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনার সাথে সম্পর্কিত
- এটি সমুদ্রের পরিবেশ রক্ষা করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান এবং জীবিকার উন্নয়ন নিশ্চিত করার একটি মডেল
- এর মূল লক্ষ্য হলো মাছ আহরণ, সামুদ্রিক খনিজ সম্পদ (তেল-গ্যাস), সমুদ্র পরিবহন, পর্যটন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করে সামুদ্রিক পরিবেশের ক্ষতি না করে দেশের উন্নতি সাধন করা
।
ব্লু ইকোনমির প্রধান দিকসমূহ:
- সামুদ্রিক সম্পদ: মাছ, খনিজ, তেল, গ্যাস ও লবণের টেকসই আহরণ
- পরিবহন ও বাণিজ্য: সমুদ্র বন্দর ও সামুদ্রিক বাণিজ্যের উন্নয়ন
- পর্যটন: উপকূলীয় ও সামুদ্রিক পর্যটন ব্যবস্থা
- নবায়নযোগ্য শক্তি: সমুদ্র থেকে বায়ু বা জোয়ার-ভাটার শক্তি উৎপাদন
- পরিবেশ সংরক্ষণ: সামুদ্রিক ইকোসিস্টেমের নিরাপত্তা ।
বেলজিয়ামের অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক গুন্টার পাউলি ১৯৯৪ সালে প্রথম ব্লু ইকোনমির ধারণা দেন.. এটি 'সবুজ অর্থনীতি' বা গ্রিন ইকোনমির একটি পরিপূরক ধারণা, যা জলজ পরিবেশের ওপর ভিত্তি করে গঠিত