বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের দ্রুত বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য স্থাপিত বিশেষায়িত অঞ্চলই হলো হাইটেক পার্ক।
- বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ (BHTPA) এর অধীনে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের 'বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি' (বর্তমানে হাই-টেক সিটি, কালিয়াকৈর) সহ সারাদেশে বেশ কয়েকটি পার্ক ও সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক চালু ও নির্মাণাধীন রয়েছে।
হাইটেক পার্কের মূল বৈশিষ্ট্য ও সুবিধাসমূহ:
- আইটি কেন্দ্রিক কার্যক্রম: হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, আইওটি (IoT), বিপিও (BPO), এবং ডেটা সেন্টার স্থাপন।
- অবকাঠামোগত সুবিধা: আধুনিক অফিস স্পেস, হাই-স্পিড ইন্টারনেট এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা।
- বিনিয়োগ প্রণোদনা: কর মওকুফ, শুল্কমুক্ত কাঁচামাল আমদানি এবং ওয়ান স্টপ সার্ভিস (OSS) সুবিধা।
- কর্মসংস্থান: তরুণদের জন্য আইটি প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ।
প্রধান হাইটেক পার্কসমূহ:
১. হাই-টেক সিটি, কালিয়াকৈর (গাজীপুর): এটি দেশের প্রথম ও বৃহত্তম হাইটেক পার্ক।
২. শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক (যশোর): প্রথম সফটওয়্যার পার্ক।
৩. সিলিকন সিটি, রাজশাহী: তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের জন্য পরিকল্পিত।
৪. ইলেকট্রনিক সিটি, সিলেট: ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের জন্য বিশেষায়িত।
Wikipedia +2
১. হাই-টেক সিটি, কালিয়াকৈর (গাজীপুর): এটি দেশের প্রথম ও বৃহত্তম হাইটেক পার্ক।
২. শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক (যশোর): প্রথম সফটওয়্যার পার্ক।
৩. সিলিকন সিটি, রাজশাহী: তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের জন্য পরিকল্পিত।
৪. ইলেকট্রনিক সিটি, সিলেট: ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের জন্য বিশেষায়িত।