সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'চাঁদের অমাবস্যা' (১৯৬৪) উপন্যাসে মূলত অস্তিত্ববাদ (Existentialism) ও মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের জীবন দর্শন রূপায়িত হয়েছে
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র আরেফ আলীর আত্মোপলব্ধি, বিবেকী জাগরণ, সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে নীরবতা এবং অস্তিত্বের সংকট ও দায়বদ্ধতার মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে এই দর্শন ফুটে উঠেছে
'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসের জীবন দর্শনের মূল দিকগুলো হলো:
- অস্তিত্বসংকট: এক ভয়াবহ খুনের প্রত্যক্ষদর্শী হয়েও ভয়ে ও সামাজিক বাস্তবতায় শিক্ষক আরেফ আলীর নীরব থাকা এবং নিজের অস্তিত্বের প্রতি প্রশ্ন তোলা
- বিবেকের জাগরণ: বাইরে অন্ধকারের আবহে মনের ভেতরে সত্য প্রকাশের আলোর আকুতি
- মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ: পাপবোধ, অপরাধবোধ এবং আত্মসংকটের স্বরূপ উন্মোচন
- বাস্তবতার মুখোমুখি: গ্রামীণ জীবনের ভণ্ডামি ও ক্ষমতার দাপটের বিপরীতে এক সাধারণ মানুষের মানসিক সংগ্রাম ।
সংক্ষেপে, এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী উপন্যাস, যেখানে লেখকের লক্ষ্য ছিল মানুষের মনোজগতের গভীর সংকটের রূপায়ণ