সমার্থক শব্দ বলতে এমন শব্দ বা শব্দগুচ্ছকে বোঝায়যেগুলোর উচ্চারণ ও বানান ভিন্ন হলেও অর্থের দিক থেকে মূল শব্দের সাথে মিল বা অভিন্নতা থাকে। একই অর্থ প্রকাশকারী ভিন্ন ভিন্ন শব্দকে প্রতিশব্দও বলা হয়। এগুলো ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করে।
নিচে গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক শব্দের উদাহরণ দেওয়া হলো:
-
-সূর্য=রবি, ভানু, ভাস্কর, আদিত্য, তপন, দিবাকর, সবিতা, প্রভাকর, মিহির, অংশুমালী
-অগ্নি: অনল, আগুন, পাবক, হুতাশন, বহ্নি, শিখা।
-অশ্ব: ঘোড়া, ঘোটক, তুরঙ্গ,
বাজী, হয়।
-অন্ধকার: তমসা, তিমির, আঁধার,
তমো।
-অরণ্য: বন, জঙ্গল, কানন, অটবি, বিপিন, কানন।
-অশ্রু: চোখের জল, নেত্র বারি।
-আকাশ: গগন, অম্বর, আসমান,
ব্যোম, অন্তরীক্ষ, আকাশ।
-ইচ্ছা: অভিলাষ, আকাঙ্ক্ষা, কামনা,
স্পৃহা, বাসনা, ইচ্ছা।
-ঈশ্বর: প্রভু, ভগবান, জগদীশ,
পরমাত্মা, সৃষ্টিকর্তা।
-উত্তম: সেরা, শ্রেষ্ঠ, উৎকৃষ্ট,
ভালো।
-কপাল: ললাট, ভাগ্য, অদৃষ্ট।
-কাক: বায়স, করভ, কাক।
-কোকিল: পরভৃত, পিক, বসন্ত দূত।
-গঙ্গা: ভাগীরথী, জাহ্নবী, সুরধুনী,
গঙ্গা।
-গৃহ: ঘর, বাড়ি, আলয়, সদন, নিকেতন, বাটি।
-চন্দ্র: চাঁদ, শশী, সুধাংশু,
হিমাংশু, বিধু, সোম।
-জল: পানি, সলিল, বারি, অম্বু, উদক, নীর।
-তীর: কূল, কিনারা, তট, তীর।
-দিন: দিবস, দিনা, দিবা, অহ্ন।
-নদী: তটিনী, তরঙ্গিনী, শৈবালিনী,
স্রোতস্বিনী।
-পাহাড়: পর্বত, গিরি, অচল, ভূধর, শৈল।
-পৃথিবী: ধরিত্রী, মেদিনী, বসুন্ধরা,
অবনী, ধরণী।
-সমুদ্র: সাগর, সিন্ধু, জলধি,
বারিধি, অর্ণব, রত্নাকর।
*দ্রষ্টব্য: কিছু ক্ষেত্রে সমার্থক শব্দগুলো হুবহু একই অর্থ প্রকাশ না করে অর্থের খুব কাছাকাছি (near synonyms) অর্থ প্রকাশ করে।