সাধু ও চলিত ভাষার প্রধান পার্থক্যগুলো নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:
১. ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম: সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ (যেমন: করিয়াছি, গিয়াছিল) এবং সর্বনাম পদ (যেমন: তাহারা, আমাদিগের) দীর্ঘ হয়। চলিত ভাষায় এগুলো সংক্ষিপ্ত হয় (যেমন: করেছি, গিয়েছিল, তারা, আমাদের)।
২. তৎসম শব্দের ব্যবহার: সাধু ভাষা তৎসম বা সংস্কৃত শব্দনির্ভর, তাই এটি বেশ গুরুগম্ভীর। চলিত ভাষায় তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের ব্যবহার বেশি হওয়ায় এটি সহজবোধ্য।
৩. ব্যবহারের ক্ষেত্র: সাধু ভাষা প্রধানত প্রাচীন সাহিত্য ও দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত হতো। চলিত ভাষা দৈনন্দিন কথাবার্তা, আধুনিক সাহিত্য এবং বক্তৃতার জন্য আদর্শ।
৪. পরিবর্তনশীলতা: সাধু ভাষা অপরিবর্তনীয় এবং এর ব্যাকরণ সুনির্ধারিত। চলিত ভাষা সময়ের সাথে পরিবর্তনশীল ও জীবন্ত।
৫. নাটকের সংলাপ: সাধু ভাষা নাটক বা বক্তৃতার সংলাপের জন্য অনুপযোগী, যেখানে চলিত ভাষা অত্যন্ত সাবলীল