মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাধারণত সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি (Contractionary Monetary Policy) গ্রহণ করে, যার মূল লক্ষ্য বাজারে অর্থের সরবরাহ কমিয়ে পণ্যের দাম কমানো। প্রধান পদক্ষেপগুলো হলো:
- সুদের হার বৃদ্ধি: রেপো রেট (Repo Rate) বাড়িয়ে দেয়, ফলে ব্যাংকগুলোর জন্য ঋণ নেওয়া ব্যয়বহুল হয়।
- অর্থ সরবরাহ হ্রাস: খোলা বাজারে বন্ড বিক্রি করে বা SLR/CRR (ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও) বাড়িয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণ দেওয়ার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
- ঋণ নিয়ন্ত্রণ: বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ ও ঋণের ওপর কড়াকড়ি আরোপ
মূল পদক্ষেপসমূহ:
১. পলিসি রেট (Policy Rate) বৃদ্ধি: বাংলাদেশ ব্যাংক বর্তমানে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি সুদহার বা পলিসি রেট বাড়াচ্ছে, যাতে ঋণের খরচ বেড়ে যায়।
২. মানি সাপ্লাই কমানো: ব্যাংকগুলোর কাছে থাকা অতিরিক্ত অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে নির্দেশ দেওয়া, যাতে মানুষের হাতে খরচ করার মতো টাকা কমে যায়।
৩. ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণ: ডলারের দাম স্থিতিশীল রাখা যাতে আমদানি খরচ না বাড়ে।
১. পলিসি রেট (Policy Rate) বৃদ্ধি: বাংলাদেশ ব্যাংক বর্তমানে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি সুদহার বা পলিসি রেট বাড়াচ্ছে, যাতে ঋণের খরচ বেড়ে যায়।
২. মানি সাপ্লাই কমানো: ব্যাংকগুলোর কাছে থাকা অতিরিক্ত অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে নির্দেশ দেওয়া, যাতে মানুষের হাতে খরচ করার মতো টাকা কমে যায়।
৩. ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণ: ডলারের দাম স্থিতিশীল রাখা যাতে আমদানি খরচ না বাড়ে।