মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ (১৮৬১)-এর মূল উৎস হলো সংস্কৃত মহাকবি বাল্মীকি রচিত ‘রামায়ণ’
- তবে মধুসূদন হুবহু কাহিনী অনুসরণ না করে রামায়ণের কাহিনীকে নতুন আঙ্গিকে, পাশ্চাত্য সাহিত্য ও হোমার, মিল্টন, ভার্জিলের মহাকাব্যিক শৈলীর আদলে এবং রাবণপুত্র মেঘনাদকে (ইন্দ্রজিৎ) বীর নায়ক হিসেবে উপস্থাপন করে এটি রচনা করেছেন
মূল উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত:
- কাহিনী: রামায়ণের যুদ্ধকান্ডের কাহিনী, যেখানে লঙ্কাপতি রাবণের পুত্র মেঘনাদ বা ইন্দ্রজিৎ লক্ষ্মণের হাতে নিহত হন
- দৃষ্টিভঙ্গি: মধুসূদন প্রচলিত কাহিনীতে পরিবর্তন এনেছেন। এখানে রাম-লক্ষ্মণকে প্রথাগত মহৎ চরিত্রের বদলে 'মেঘনাদ' কে দেশপ্রেমিক ও বীর হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে
- প্রভাব: এটি ভারতীয় পুরাণের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে লেখা হলেও, এতে পাশ্চাত্য সাহিত্য ও হোমার, ভার্জিল, মিল্টনের প্রভাব স্পষ্ট
মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ আধুনিক মহাকাব্য