ব্রেইল পদ্ধতি হলো দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বা ক্ষীণ দৃষ্টিসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি স্পর্শভিত্তিক লিখন ও পঠন পদ্ধতি। এটি কাগজে ছয়টি উঁচু বিন্দুর (Dot) বিভিন্ন বিন্যাস ব্যবহার করে অক্ষর, সংখ্যা ও যতিচিহ্ন তৈরি করে
- ১৮২৪ সালে লুই ব্রেইল এটি আবিষ্কার করেন, যা বর্তমানে বিশ্বব্যাপী দৃষ্টিহীনদের শিক্ষা ও যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম
ব্রেইল পদ্ধতি সম্পর্কে মূল তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
- কার্যপদ্ধতি: কাগজের ওপর ৬টি বিন্দুর ম্যাট্রিক্স (দুটি কলামে তিনটি করে) ব্যবহার করে অক্ষর ফুটিয়ে তোলা হয়, যা আঙুলের স্পর্শে পড়া হয়
- ব্যবহারকারী: অন্ধ বা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা এটি ব্যবহার করেন
- সুবিধা: এই পদ্ধতিতে বই পড়া, লেখা, গণিত, সংগীতের স্বরলিপি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের গায়ে সংকেত বোঝা যায়
- আধুনিক রূপ: এখন ব্রেইল ডিসপ্লে বা নোটটেকারের মাধ্যমে ডিজিটাল ডিভাইসেও ব্রেইল পড়া যায় ।
ব্রেইল পদ্ধতির ব্যবহারিক দিক:
দৃষ্টিহীনরা স্টাইলাস (কলম জাতীয়) ও ফ্রেম ব্যবহার করে হাতে এই পদ্ধতিতে লিখতে পারেন। এটি সাধারণ অক্ষর বা বর্ণমালা নয়, বরং বিন্দু দিয়ে তৈরি একটি কোড সিস্টেম
দৃষ্টিহীনরা স্টাইলাস (কলম জাতীয়) ও ফ্রেম ব্যবহার করে হাতে এই পদ্ধতিতে লিখতে পারেন। এটি সাধারণ অক্ষর বা বর্ণমালা নয়, বরং বিন্দু দিয়ে তৈরি একটি কোড সিস্টেম