২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় বীরাঙ্গনাদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত করার আবেদন আহ্বান করে এবং এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান শুরু হয়। পরবর্তীতে, ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) বীরাঙ্গনাদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব পাস হয়।
মূল তথ্য:
- প্রথম স্বীকৃতি: ২০১৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর প্রথম প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ৪১ জন বীরাঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- বর্তমান অবস্থা: ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ৫০৪ জন বীরাঙ্গনা নারী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সরকারি স্বীকৃতি পেয়েছেন।
- সুবিধা: এই স্বীকৃতি প্রাপ্ত বীরাঙ্গনারা মুক্তিযোদ্ধাদের মতো মাসিক ভাতাসহ অন্যান্য সব সরকারি সুবিধা ভোগ করেন।
- ভিত্তি: মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের দ্বারা নির্যাতিত নারীদের 'বীরাঙ্গনা' উপাধি দেওয়া হয় এবং পরে তাদের বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত করা হয়।