বাংলাদেশের রাজনীতিতে "ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং" বলতে নির্বাচনের ফলাফল নিজের পক্ষে নেওয়ার জন্য প্রশাসনিক, আইনি বা কারিগরি উপায়ে পরিকল্পিত কারচুপি ও কৌশল নির্ধারণকে বোঝায়। এটি মূলত ভোট জালিয়াতি, ভোটারদের বাধা দেওয়া, পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া বা নির্বাচন কমিশনকে প্রভাবিত করে পছন্দের প্রার্থীকে জয়ী করার একটি নেতিবাচক প্রক্রিয়া।
ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ভোট জালিয়াতি ও কারচুপি: ব্যালট বাক্স চুরি, মিথ্যা বা ভুয়া ভোটার তালিকা তৈরি, এবং ভোট গণনায় কারসাজি করা।
- প্রশাসনিক ব্যবহার: আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা মাঠ প্রশাসনকে ব্যবহার করে নির্দিষ্ট দলের পক্ষে কাজ করানো।
- প্রতিপক্ষকে বাধা: বিরোধী দলের প্রার্থী বা সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া বা পোলিং এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বের করে দেওয়া।
- ইভিএম বা প্রযুক্তির অপব্যবহার: ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (EVM) বা ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফলাফল পরিবর্তনের চেষ্টা।
- আইনগত ও সাংবিধানিক কারসাজি: নির্বাচন কমিশন, আইন ও নির্বাচন প্রক্রিয়াকে নিজের সুবিধামতো পরিবর্তন বা প্রভাবিত করা।