ধ্বনি ও বর্ণের মূল পার্থক্য হলো—ধ্বনি হলো মুখের ভাষার উচ্চারিত আওয়াজ (শ্রাব্য), আর বর্ণ হলো সেই ধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীক (দৃশ্যমান)।
- ধ্বনি উচ্চারিত হয় বাগযন্ত্রের মাধ্যমে, অন্যদিকে বর্ণ হলো লেখার মাধ্যমে প্রকাশিত সাংকেতিক চিহ্ন ।
ধ্বনি ও বর্ণের পার্থক্য
- সংজ্ঞা: মানুষের মুখ থেকে নির্গত অর্থপূর্ণ আওয়াজই হলো ধ্বনি। অপরদিকে, ধ্বনির লিখিত রূপ বা চিহ্নকে বর্ণ বলে।
- প্রকাশ মাধ্যম: ধ্বনি উচ্চারিত (Oral) হয়, যা কান দিয়ে শোনা যায়। বর্ণ লিখিত (Written) হয়, যা চোখ দিয়ে দেখা যায়
- ভিত্তি: ধ্বনি হলো ভাষার মূল একক। বর্ণের ভিত্তি হলো ধ্বনি
- উদাহরণ: আমরা যখন ‘ক’ বলি, সেটি ধ্বনি। আর যখন খাতায় ‘ক’ লিখি, সেটি বর্ণ
- সংখ্যা: ধ্বনির সুনির্দিষ্ট সংখ্যা বর্ণমালার চেয়ে ভিন্ন হতে পারে, কারণ অনেক বর্ণ উচ্চারণে প্রায় একই রকম হতে পারে। তবে বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ রয়েছে
সহজ কথায়, ধ্বনি শোনা যায়, বর্ণ দেখা যায়।