ধাতু বা শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত করার প্রধান উদ্দেশ্য হলো নতুন শব্দ গঠন করা।
প্রত্যয় যুক্ত করার মাধ্যমে মূলত নিচের কাজগুলো সম্পন্ন হয়:
১. শব্দের অর্থ সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন: মূল শব্দের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে অর্থের বৈচিত্র্য তৈরি করে। যেমন: ‘ঘর’ (স্থান) + ‘আমি’ = ‘ঘরামি’ (পেশা)।
২. পদান্তর বা পদ পরিবর্তন: বিশেষ্য পদকে বিশেষণে বা ক্রিয়াকে বিশেষ্যে রূপান্তর করা যায়। যেমন: ‘চল্’ (ধাতু) + ‘অ’ = ‘চল’ (বিশেষ্য)।
৩. ভাষাকে সংক্ষিপ্ত ও শ্রুতিমধুর করা: অনেক বড় ভাবকে একটি ছোট শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ করা সম্ভব হয়।
৪. নতুন বিশেষ্য ও বিশেষণ তৈরি: মৌলিক শব্দ বা ধাতুর সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ভাষার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করা।
২. পদান্তর বা পদ পরিবর্তন: বিশেষ্য পদকে বিশেষণে বা ক্রিয়াকে বিশেষ্যে রূপান্তর করা যায়। যেমন: ‘চল্’ (ধাতু) + ‘অ’ = ‘চল’ (বিশেষ্য)।
৩. ভাষাকে সংক্ষিপ্ত ও শ্রুতিমধুর করা: অনেক বড় ভাবকে একটি ছোট শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ করা সম্ভব হয়।
৪. নতুন বিশেষ্য ও বিশেষণ তৈরি: মৌলিক শব্দ বা ধাতুর সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ভাষার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করা।
সহজ কথায়, একটি মূল অংশ (প্রকৃতি) থেকে শত শত নতুন শব্দ তৈরি করে ভাষাকে শক্তিশালী করাই প্রত্যয়ের মূল কাজ।