ধাতুর পর সাধারণত আও’ প্রত্যয় যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য গঠিত হয়।
উদাহরণ:
- ‘আ’ প্রত্যয়: √কাঁদ + আ = কান্না।
- ‘অন’ প্রত্যয়: √নাচ্ + অন = নাচন।
এছাড়া প্রসঙ্গের ভিত্তিতে ‘তি’ (যেমন: √বাড় + তি = বাড়তি) বা ‘আও’ (যেমন: √পাকড় + আও = পাকড়াও) প্রত্যয়ও ব্যবহৃত হতে পারে।