ধাতুর পর ‘আ’ বা ‘অন’ প্রত্যয় যুক্ত করে সাধারণত ভাববাচক বিশেষ্য গঠিত হয়। তবে অপশন বা প্রসঙ্গের ভিত্তিতে ‘আও’, ‘আই’ বা ‘তি’ প্রত্যয়ও ব্যবহৃত হতে পারে।
নিচে কয়েকটি প্রধান উদাহরণ দেওয়া হলো:
১. ‘আ’ প্রত্যয়: যেমন— কঁদ (ধাতু) + আ = কান্না (ভাববাচক বিশেষ্য)।
২. ‘অন’ প্রত্যয়: যেমন— কঁদ + অন = কঁাদন; নাচ্ + অন = নাচন।
৩. ‘আও’ প্রত্যয়: যেমন— পাকড় + আও = পাকড়াও।
৪. ‘তি’ প্রত্যয়: যেমন— বাড় + তি = বাড়তি।
২. ‘অন’ প্রত্যয়: যেমন— কঁদ + অন = কঁাদন; নাচ্ + অন = নাচন।
৩. ‘আও’ প্রত্যয়: যেমন— পাকড় + আও = পাকড়াও।
৪. ‘তি’ প্রত্যয়: যেমন— বাড় + তি = বাড়তি।
উল্লেখ্য যে, যখন ধাতু থেকে কোনো কাজের নাম বা ভাব প্রকাশিত হয়, তাকেই ভাববাচক বিশেষ্য বলে।