বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৩ সালের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের হার ৬২.১ শতাংশ, যা ২০১৫ সালের পর সর্বনিম্ন। ২০২২ সালে এই হার ছিল ৬৩.৩ শতাংশ, যা কমেছে। তবে, UNFPA-এর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ে এই হার প্রায় ৬২%।
প্রধান তথ্যসমূহ:
- সর্বাধিক ব্যবহৃত পদ্ধতি: খাবার বড়ি (২৭%), ইনজেকটেবল (১১%), এবং কনডম (৮%)।
- বন্ধ্যাকরণ: নারী বন্ধ্যাকরণ পদ্ধতির হার ৫%।
- অপূর্ণ চাহিদা: ২০২৩ সালে জন্মনিয়ন্ত্রণের অপূর্ণ চাহিদা ১৫.৫৭ শতাংশ।
- হ্রাসের কারণ: জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর সংকট এবং পরিবার পরিকল্পনার প্রচারের অভাব।
অন্যদিকে, বর্তমানে দেশের মোট প্রজনন হার (TFR) ২.১-এর সামান্য বেশি, যা ২০২২ সালের জরিপে ২.২০ ছিল।