চর্যাপদ আধুনিক ছন্দ বিচারে প্রধানত মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
তবে প্রাচীন কাব্যরীতি অনুযায়ী এর গঠনশৈলীতে অন্য কিছু বৈশিষ্ট্যও পরিলক্ষিত হয়:
- পয়ার ও ত্রিপদী: চর্যাপদগুলো মূলত পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দের আদলে গঠিত।
- পাদাকুলক ছন্দ: এতে ১৬ মাত্রার 'পাদাকুলক' ছন্দের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
- সংগীতের প্রভাব: চর্যাপদগুলো মূলত বৌদ্ধ সহজিয়াদের সাধন-সঙ্গীত হওয়ায় এগুলোতে সুর, তাল ও রাগের (যেমন- পটমঞ্জরী) প্রাধান্য ছিল, যা ছন্দের সুনির্দিষ্ট নিয়মকে কিছুটা শিথিল করেছে।