চর্যাপদের ভাষাকে "সান্ধ্য ভাষা" বা "সন্ধ্যা ভাষা" (আলো-আঁধারি ভাষা) বলেছেন মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
তান্ত্রিক সহজিয়া মতবাদের গূঢ় অর্থ সাধারণের কাছ থেকে আড়াল করার জন্য এই রহস্যময় বা রূপকধর্মী ভাষা ব্যবহার করা হয়েছিল
- বিশদ তথ্য: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন এবং এর ভাষাকে সন্ধ্যা ভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা বলে অভিহিত করেন
- কেন বলা হয়: সন্ধ্যাবেলায় যেমন আলো ও অন্ধকার মিশে থাকে (সবকিছু স্পষ্ট দেখা যায় না), চর্যাপদের ভাষাও তেমনি রূপক ও ইঙ্গিতের কারণে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় না
- বিকল্প মত: তবে, ড. বিধুশেখর শাস্ত্রী মনে করতেন এটি ভুলবশত 'সন্ধ্যা' (twilight) হয়েছে, মূল শব্দটি ছিল 'সন্ধা' বা 'সন্ধায়' (intentional/esoteric language), যার অর্থ অভীষ্ট বা গূঢ় অর্থ।
দ্রষ্টব্য: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ চর্যাপদের ভাষাকে 'আদ্য বাংলা' বা 'Proto-Bengali' বলে অভিহিত করেছিলেন